নিউরন প্যারামেডিকেল এ্যান্ড নার্সিং ইনস্টিটিউট

নিউরন প্যারামেডিকেল এ্যান্ড নার্সিং ইনস্টিটিউট

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় এবং বাংলাদেশ নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল অনুমোদিত,
নিউরন মেডিকেল এন্ড টেকনোলজি লিঃ বোর্ড পরিচালিত

Author name: ckariyan

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য সহায়ক জনবল তৈরির বিকল্প নেই। রাষ্ট্রের নিকট জনগণের অন্যতম চাহিদার একটি হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা। দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হলে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। সরকার স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোড় গোঁড়ায় পৌঁছে দিতে হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করলেও সেগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক মানসম্মত জনবলের অভাবে সরকার তার কাঙ্খিত লক্ষ্য পূরণ করতে পারছে না। নিউরন মেডিকেল এন্ড টেকনোলজি লিঃ পল্লীচিকিৎসক পর্যায়ের বিভিন্ন কোর্সে প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে মানসম্মত টেকনোলজিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, ডেন্টিস্ট, নার্স ও সহকারি ডাক্তার তৈরি করছে এবং এদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

 

সজীব হাসান মাসুম

ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউরন মেডিকেল এন্ড টেকনোলজি লিঃ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক Read More »

পল্লী চিকিৎসকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা।

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। একটি স্বাস্থ্যসমৃদ্ধ জাতি দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য হিসেবে স্বীকৃত। এই অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বাংলাদেশ সরকার সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে গ্রহণ করেছে। গত দুই দশকে এ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। প্রজনন হার ও মৃত্যু হার হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, নবজাত শিশু ও মাতৃ-মৃত্যু হ্রাসের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়নে ও প্রসারের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন অবকাঠামো স্থাপন অব্যাহত রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা ও সরকারি সম্পদের দিকে লক্ষ্য রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশের সকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে- দেশের সকল মানুষের বিশেষ করে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনসাধারণের জন্য যথাযথ মানসম্পন্ন মৌলিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। এই গ্রামাঞ্চলে এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তার নেই বললেই চলে, ফলে গ্রাম পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবার জন্যে পল্লী চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হতে হয়। পল্লী চিকিৎসক বা গ্রাম ডাক্তারগণ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় তাৎপর্যপূর্ণ ভুমিকা পালন করছেন। যথা-

(১) দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ বাড়ির দোরগোড়ায় অত্যাবশ্যকীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পল্লী চিকিৎসকদের মাধ্যমে পেয়ে থাকেন।

(২) গ্রামের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে পল্লী চিকিৎসকগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

(৩) স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমেও পল্লী চিকিৎসকগণ স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

(৪) প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান, পরিবার পরিকল্পনা, সংক্রমক রোগ প্রতিরোধ, যক্ষ্মা রোগ সনাক্তকরণ ও চিকিৎসা, অপুষ্টিজনিত রোগের চিকিৎসা, যৌনবাহিত রোগের চিকিৎসা, এইচআইভি/এইডস সনাক্তকরণ, সকল প্রকার সাধারণ রোগের চিকিৎসা প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে পল্লী চিকিৎসকগণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

(৫) আমাদের দেশে এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারের যথেষ্ট অভাব রয়েছে, সেক্ষেত্রে বিশেষ করে গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসা ব্যবস্থায় পল্লী চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

(৬) দ্রুততম সময়ের মধ্যে তৃণমূল জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে পল্লী চিকিৎসকগণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পল্লী চিকিৎসকদের ন্যূনতম এসএসসি পাশ ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো উচিত। এতে পল্লী চিকিৎসকদের মর্যাদা বাড়বে এবং মানুষের সু-চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে অনেক উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিগণও পল্লী চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন, তাদেরকেও প্রয়োজনীয় এবং যথোপযুক্তমানের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পেশাগত দক্ষতা অর্জন করা আবশ্যক। চিকিৎসা পেশা অন্যান্য পেশার তুলনায় স্পর্শকাতর এবং শারীরিক ও মানসিক কষ্ট বা অসুস্থতা তথা জীবন-মৃত্যুর সমস্যার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় ন্যূনতম শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া এই পেশায় নিয়োজিত হওয়া উচিত না। এই বিষয়ে সরকার আগ্রহী ও উপযুক্ত ব্যক্তিদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে পল্লী চিকিৎসক তৈরীর মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারেন।

২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির তালিকায় স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ছিল (১১.১) সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পূর্বতন আওয়ামী লীগ সরকারের (১৯৯৬-২০০১) প্রণীত জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি পুনর্মূল্যায়ন করে যুগের চাহিদা অনুযায়ী নবায়ন করা হবে। এই নীতির আলোকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠিত ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু, পুষ্টি, শিশু ও মাতৃমঙ্গল নিশ্চিত করা হবে। জনসংখ্যানীতি যুগোপযোগী করা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। উল্লেখ্য যে, সরকারের মেয়াদের অর্ধেক সময় শেষ হলেও সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি তবে প্রক্রিয়াধীন বা চুড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে বলে জানা যায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গত ৩০ মে মন্ত্রিসভায় জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির খসড়া অনুমোদন হয়েছে। এখন তা সংসদে উত্থাপনের পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমান সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে কার্যক্রম চালু করেছে। এ সব কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য ১৩ হাজার ৫০০ কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা যায়। তবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক পুরোপুরি চালু করা প্রয়োজন। কারণ দেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পল্লী চিকিৎসক ও কমিউনিটি ক্লিনিকের ভূমিকা ব্যাপক।

আমাদের দেশে স্বাস্থ্য খাতে যথেষ্ট নেতিবাচক চিত্র বিদ্যমান। একদিকে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সম্পদ ও সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা অন্যদিকে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নানা ধরণের অনিয়মের কারণে সেবা গ্রহীতারা অনেক ক্ষেত্রেই কাক্মিখত সেবা প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনসাধারণের একটি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া জরুরি।

মানুষ সরকারি কিংবা বেসরকারি হাসপাতাল হতে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকসহ স্বাস্থ্যসেবার সকল স্তর থেকে দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করতে হবে। দেশের সকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই খাতের সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের অবসান করতে হবে। বর্তমান বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং প্রয়োজনে নতুন আইন তৈরি করতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসক ও নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের মানবিক হতে হবে। সকলকে স্ব-স্বক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসহ সকল ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

একটি সুস্থ সবল জনগোষ্ঠীই শুধু দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এ জন্যে প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা, রোগ প্রতিরোধমূলক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং যথাযথ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা। সে লক্ষ্যে যথাযথ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সরকার ও সংশ্লিষ্টগণ আরো সচেষ্ট হবেন বলে আশা করছি।

পল্লী চিকিৎসকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা। Read More »

চাকরির সুবিধা

বিএসসি ইন নার্সিং; ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এই তিনটি নার্সিং কোর্স সম্পন্ন হওয়ার পরে, Bangladesh Nursing and Midwifery Council কর্তৃক অনুষ্ঠিত রেজিষ্ট্রেশন/লাইসেন্সিং/RN পরীক্ষায় পাশ করলে/কৃতকার্য হলে, পরবর্তীতে সরকারি/বেসরকারি জবের জন্য আবেদন করা যায়। তবে, সরকারি নার্সিং জবের জন্য আলাদা MCQ, লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা সহ কতো গুলো প্রসেস রয়েছে। সরকারি হাসপাতালের চাহিদা ও সরকারের অনুমতির উপর নির্ভর করে প্রতি ১/২ বছর পরপর নার্সিং/মিডওয়াইফারি জবের সারকুলার/বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। জবের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, এবং উল্লেখিত পরীক্ষায় ভালো করলে অবশ্যই জব পাওয়া যায়। তবে, নার্সিং কোর্স সম্পন্ন করার পরপরি বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিকে জব করে অভিজ্ঞতা অর্জন করলে ভালো হয়। পাশাপাশি সরকারি জবের জন্য প্রস্তুতি নিলেই ভালো হবে। উল্লেখ্য, সরকারি নার্সিং জব পাওয়ার জন্য সরকারি নার্সিং কলেজে/ইন্সটিটিউটে পড়তেই হবে এমন কোনো নিয়ম/বাধ্যবাধকতা নেই। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত যেকোনো বেসরকারি নার্সিং কলেজ/ইন্সটিটিউটে পড়েও সরকারি জবের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাব, জব পাওয়া যাবে।
  1. কোর্স শেষে সরকারি হাসপাতালে সিনিয়র ষ্টাফ নার্স পদে ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে চাকরির সুযোগ।
  2. সরকারি ও বেসরকারি নার্সিং ইনিস্টিটিউটসমূহে চাকরির সুযোগ।
  3.  নার্সিং কলেজ সমূহে শিক্ষক পদে যোগদান।
  4. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চকরি।
  5. স্কুল হেল্থ জব।
  6. কোর্স শেষ করে ২ বছরে চাকুরির অভিজ্ঞতা হলে ৪ বছর পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির সুযোগ এবং ২বছরে কোর্স সম্পন্ন।
  7. বিভিন্ন NGO তে বড় বড় চাকরি (  WHO, BRAC,ICDDRB)
  8. প্রশিক্ষণ শেষে দেশে বিদেশে চাকরির সুযোগ।আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশের সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালসহ প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসা সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানে তাই নার্সদের চাহিদাও দিনদিন বেড়ে চলেছে।

চাকরির সুবিধা Read More »

নার্সিং এ কেন পড়বেন ?

আপনারা জীবন ও জীবিকায় কেন বেছে নিবেন নার্সিং পেশাকে ?

  • নার্সিং একটি চ্যালেনজীং পেশা যা থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা আপনি ব্যাক্তিগত ও সামাজিক জীবনে স্বাস্থ্য সেবায় রাখতে পারবেন উল্লেখযোগ্য অবদান ৷
    নার্সিং পেশায় যেমন আপনি আয় করতে পারবেন তার পাশাপাশি সৎ থেকে রোগীদের মন থেকে সেবা করলেই সাথে সাথে আপনার আমলনামায় ডিপোজিট হিসেবে জমা হবে সওয়াব আর সওয়াব ৷
    যার সঠিক, পুরষ্কার নিশ্চই আল্লাহ দান করবেন !
  • আর জীবনে মানুষের দোয়া অনেক বড় কিছু ৷ এই অসুস্থ অসহায় মানুষগুলির দোয়াই আপনাকে একদিন অনেক বড় মর্যাদার আসনে আসীন করবে ৷ ইন-শা-আল্লাহ।
  • যখন নার্সিং পড়াশোনা শেষ করবেন দেখবেন , আপনি দিব্যি চাকুরী করে মা-বাবার মুখে হাসি ফুটিয়েছেন ৷ অথচ আপনারই বন্ধুরা যারা জেনারেল এ পড়াশোনা করছেন দেখবেন তারা তখনও চাকুরী জন্য হন্যে হয়ে ছুটছে / টিউশনি করতেছেন ৷ আর এটা ওনাদেরও দোষ নয় কেবলই বাংলাদেশের
    সমসাময়িক প্রেক্ষাপট আর কঠিন বাস্তবতা মাত্র ৷
    বাংলাদেশেই আমার দেখা অনেক বাংলাদেশী নার্স আছেন যারা এক জায়গায় চাকুরী করেই আয় করছেন ২০-৮০ হাজার টাকা ৷ অর্থাৎ আপনি পাচ্ছেন আর্থিক সচ্ছলতা ৷ শুধু আপনার প্রয়োজন নিজেকে সেই যোগ্যতায় যোগ্য করে তোলা।

যদি এই পথচলায় পুরোপুরি সফল নাও হন তবুও পিছন ফিরে তাকালেই দেখবেন , পথ চলতে চলতে অনেক দূর চলে আসছেন ৷ যা আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিবে………জীবনের পরিপূর্র্ণ র্স্বাথকতা ৷

  • আর যেহেতু নার্সিং একটি international profession. তাই আপনি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশে চাকুরী ও উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে আর নিজ মাতৃভূমিকে করতে পারেন সম্মানিত, গৌরবান্বিত ৷
    শুভকামনা রইলো সকল নার্সিং স্টুডেন্টদের প্রতি।

নার্সিং এ কেন পড়বেন ? Read More »

Scroll to Top